রাজ্যের স্পনসরড স্কুলে প্রশাসক নিয়োগ: পরিচালন সমিতি ভাঙার পর বিকাশ ভবনের নয়া নির্দেশিকা
![]() |
| পরিচালন সমিতিহীন স্কুলে প্রশাসক নিয়োগ ও ডিডিও-র আর্থিক দায়িত্ব সংক্রান্ত বিকাশ ভবনের নয়া নির্দেশিকা ও ১৩ দফা বিধিমালা |
রাজ্যের সমস্ত স্পনসরড স্কুলে বসছে প্রশাসক: পরিচালন সমিতি ভাঙার পর নয়া নির্দেশিকা বিকাশ ভবনের
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের সমস্ত সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বা স্পনসরড স্কুলগুলির পঠনপাঠন ও প্রশাসনিক কাজকর্ম সচল রাখতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার।কেন নেওয়া হলো এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত?
গত ১৪ মে এক নির্দেশে রাজ্যের সমস্ত স্পনসরড স্কুলের পরিচালন সমিতি (Managing Committee) ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই শূন্যস্থান পূরণে স্কুলগুলিতে প্রশাসক বা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগের নির্দেশ দিল স্কুল শিক্ষা দপ্তর।
বিকাশ ভবনের নয়া নির্দেশিকা কী বলছে?
বিকাশ ভবন থেকে ২৭ মে, ২০২৬ তারিখে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে (মেমো নম্বর: 634-SED-11099/65/2026) জানানো হয়েছে যে, 'ম্যানেজমেন্ট অফ স্পনসরড ইনস্টিটিউশনস (সেকেন্ডারি) রুলস, ১৯৭২'-এর ২৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী এই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হচ্ছে। নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট এলাকার স্কুল সাব-ইন্সপেক্টরদের (SI of Schools) ওই স্কুলগুলির প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হবে।স্কুল সাব-ইন্সপেক্টরদের নতুন দায়িত্ব
রাজ্যের সমস্ত জেলার স্কুল পরিদর্শক বা ডিআই-দের (DI/S, Secondary Education) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা তাঁদের এক্তিয়ারভুক্ত এলাকার সাব-ইন্সপেক্টরদের অবিলম্বে এই পদে নিযুক্ত করেন। স্কুলের দৈনন্দিন কাজ এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।বিকাশ ভবনের জারি করা নতুন নির্দেশ :
বিকাশ ভবনের জারি করা এই আদেশটিতে বলা হয়েছে:
- গত ১৪ মে, ২০২৬-এর নির্দেশিকা (৫৪২-SE/S/5C-01/2026) অনুযায়ী সমস্ত স্পনসরড স্কুলের পরিচালন সমিতি ইতিপূর্বেই বিলুপ্ত করা হয়েছে।
- স্কুলের স্বাভাবিক কাজকর্ম বজায় রাখতে অবিলম্বে সাব-ইন্সপেক্টরদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করতে হবে।
- পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এই ব্যবস্থা
শেষের কথা :
এই নির্দেশের প্রতিলিপি ইতিপূর্বেই স্কুল শিক্ষার কমিশনার, সমস্ত জেলা শাসক (DM), মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে স্কুলগুলির প্রশাসনিক কাজে গতি ফিরবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

